এক নজরে আমাদের সংগঠন

সৃজনশীল ও প্রগতিশীল চিন্তার মানুষের অপার বন্ধুত্ব আর ভালবাসায় স্নিগ্ধ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার কোন গতানুগতিক ধারার সংগঠন নয়। ইহার প্রতিটি কার্যক্রম সৃষ্টিশীল, সেবামূলক, সমাজ গঠনে সহায়ক ও দিক নিদের্শনামূলক। অর্থাৎ ইহা একটি টেকসই রোল মডেল সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাইতে চায়।
এই সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হইল সম্মানিত সদস্য এবং গ্রাহকদের মধ্যে সুন্দর সৌহার্দপূর্ণ সর্ম্পক সৃষ্টি এবং সদস্যদের উন্নয়ন ঘটাইয়া তাহাদের আর্থ-সামাজিক চাহিদাসমূহ পূরণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এই লক্ষ্যে সংগঠনটি কিছু বিশেষ ও বৈচিত্রপূর্ণ সেবামূলক প্রকল্প ও কার্যক্রম পরিচালনা করিতে আগ্রহী। সম্মানিত সদস্যদের নিকট শেয়ার ও সঞ্চয় বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা এইসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয়ভার বহন করা হইবে। প্রকল্পগুলির প্রাথমিক লক্ষ্য সদস্য কল্যাণ কেন্দ্রীক হইলেও এইসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যদিয়া সংগঠনটি ভবিষ্যতে সমাজের রোল মডেল হিসেবে কাজ করিতে চায় এবং এই গুলির সুবিধা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা করে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর আবেগঘন উচ্চারন “যেতে নাহি দিব হায়, তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায়” অবিনশ্বর এই পৃথিবীতে কোন মানুষই চিরস্থায়ী নয়, কিন্তু তাঁর কর্ম স্থায়ী। যদি সেটা মানুষের কল্যান আর সাধনৈর মাধ্যমে মনোরাজ্যে জায়গা করে নিতে পারে বা আসন গেড়ে বসতে পারে। আর এই স্থিতি হেতু প্রজন্ম হতে প্রজন্মান্তরে গণমানুষের মধ্যে বেঁচে থাকা সম্ভব। ঠিক তেমনই একজন মানুষ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ যিনি স্বাধীন বাংলার স্থপতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, লাল-সবুজ পাতাকা প্রদানকারী প্রবাদ পুরুষ যিনি জন্মগ্রহন না করলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হতো না, বাঙ্গালী তার পরিজয় হারাতো। সোই মহান ব্যক্তির স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবনাধুর স্মৃতিকে অম্লান তথ্য সংরক্ষণার্থে এবং তার জীবনাদর্শ তরুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার মানসে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রেখে চলেছে। জাতির পিতার অবদানসহ তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের মহৎ লক্ষ ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সংগঠন দুটি এ মহতী কার্যক্রম পরিচালিত করছে।
‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারে পরিচালিত এই সংগঠন দুটি সার্বক্ষনিক মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণসহ তা প্রচার ও প্রসারে তরুণ সামনে তুলে ধরতে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম পরিচালিত করছে।
তাছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হেতু ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত সোনার বাংলা’ এবং গণতন্ত্রের মানস কন্যা, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ক্ষুদা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে এই সংগঠন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।
একটি শান্তিপূর্ন নিরাপদ স্বদেশ, ক্ষুদ্র ও দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সোনার বাংলা গড়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্নার প্রতি বিনম্্র শ্রদ্ধা জানাই।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবি হোক।

ড. প্রশান্ত কুমার রায়
প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ।
’৭১ এবং ৭৫ এর খুনীরা এক ও অভিন্ন, এরা স্বাধীন বাংলাদেশের পবিত্র ভূমিতে এখনও ষড়যন্ত্র করছে। এদের মূল উৎপাটনের মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমিকে আমরা রক্ষা করবো দৃঢ় অঙ্গীকারে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ “সোনার বাংলা” প্রতিষ্ঠার প্রতয়ে বঙ্গবন্ধু তনয়া তথা গনতন্ত্রের মানসকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বীয় হাতে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ” ও “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার” অগ্রগামী ভূমিকায় আজ অবতীর্ণ হয়েছে।
উগ্র সাম্প্রদায়িক জঙ্গি মদদদাতা বিএনপি-জামায়াতের মূল উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা এবং গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করে ক্ষমতায়নের আজীবন তথা নগ্ন শাসন।
২০০১ সালে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে স্বাধীনতা বিরোধী জোট ধর্মান্ধ জঙ্গিবাদি মওদুদীর ফ্যাসিস্ট দল ‘জামায়াত ও সাথে আতাতকারী বিএনপি জোট ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষে শুরু হয় নগ্ন শাসন। স্বাধীনতাপ্রেমী ৭১’ এর চেতনা ধারনকারীদের উপর বেপরোয়া হমলা, মামলা, নির্যাতন ও গুম হত্যাকান্ড যেন মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে জনগনের বিশাল ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লগি আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসুরী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ত্বে দেশ চরম ক্ষুদা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথে দ্রুত ধাবমান। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসমাপ্ত সোনার বাংলা ও তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার আর্থ সামাজিক উন্নয়নের স্বপ্ন “আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, শিক্ষা পাবে এবং সাথে সাথে উন্নত জীবনের অধিকারী হবে”-পূরনে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার” মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদীপ্ত হয়ে তরুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে সত্যিকার সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে চলছে। আজকের আওয়ামী লীগ যার প্রচেষ্টায় দেশ আজ সাম্প্রদায়িকতার ছোবল থেকে মুক্ত, ধর্ম-বর্ন নির্বিশেষে সকলের কাছে উন্মুক্ত। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ যার কর্ম প্রচেষ্টা, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং ত্যাগ-তিতিক্ষার ফসল সেই মহান বাঙ্গালির স্বপ্নের সত্যিকার রুপদানের নিমিত্ত এবং তার স্মৃতিকে সর্বসাদালনের মধ্যে জাগ্রত রাখতে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার” অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্যে ৭১ এর চেতনায় অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের ধারাবহিকতার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীর সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিত করতে পারলে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্না কিছুটা হলেও শান্তি পাবে এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সকল শহীদরে রক্তের ঋন কিছুটা হলেও শোধ হবে।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবি হোক।

ডাঃ এস. এম. বাদশা মিয়া
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান-বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার
কেন্দ্রীয় সভাপতি- স্মৃতি সংসদ।
প্রধান উপদেষ্টা- বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ
এই সংগঠনের মূখ্য উদ্দেশ্যঃ

(১) হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হইয়া ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মানে সমবায় পদ্ধতিতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা গ্রহণ।
(২) বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তি জীবন, রাজনৈতিক জীবন ও কর্ম জীবনের দর্শন বিষয়ক গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে সংগঠনের সদস্যগণকে সৃজনশীল ও গণমূখী করিয়া গড়িয়া তোলা।
(৩) পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে উদ্বুদ্ধ করিয়া সোনার বাংলা গড়িয়া তোলার ব্রত নিয়া সম্মিলিত ভাবে কাজ করা।
(৪) সংগঠনের সদস্যগণকে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়া পারস্পারিক সহযোগীতার মাধ্যমে পরিকল্পিত জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধকরণ।
(ডেমো) অষ্টম বাংলা ব্লগ দিবসের শুভেচ্ছা। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, বাংলা ব্লগ মুক্ত মত প্রকাশের এক অনবদ্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ব্লগ এবং ব্লগার একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগে। গণতন্ত্র চর্চা এবং পরিচর্যায় দায়িত্বশীল ব্লগিং আমাদের সচেতনতা তৈরী করে যাচ্ছে এবং এই ধারা অব্যহত রাখতে বাংলা ব্লগ দিবস একটি বিশেষ ভ‚মিকা রাখতে শুরু করেছে।
এই সমবায়ের উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে নিম্নবর্ণিত লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যহত রাখা হইবেঃ
(১) পর্যায়ক্রমে দেশের প্রত্যেকটি গ্রামে বঙ্গবন্ধুর মুরাল স্থাপন এবং বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্ম জীবনের ঐতিহাসিক ও স্মৃতিময় দিনগুলি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন/উদযাপন করা।
(২) বঙ্গবন্ধুর জীবনী এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিনতার ইতিহাস-ঐতিয্য সংরক্ষন ও প্রচারের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এবং স্কুল কলেজে পাঠাগার স্থাপন করা।
(৩) বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শন বিষয়ে গবেষণা ও উচ্চ শিক্ষা এবং মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
(৪) দেশের অনগ্রসর জনগোষ্ঠি, অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠি এবং প্রতিবন্ধি ও অটিজম শিশুদের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সমাজের মূল স্রোতধারার সাথে একীভূত করার প্রয়াস গ্রহণ করা।
(৫) এই সমবায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, দেশী-বিদেশী সাহায্য সংস্থা, স্থানীয় জনগণ এবং সদস্যদের আর্থিক সহায়তায় বিভিন্ন জাতিগঠনমূলক উন্নয়ন প্রকল্প/ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।

আপনার কমিটি খুঁজুন






বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমাদের আয়োজন

  • বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার এর যাত্রা শুরু

    শুরু হয় শোষিত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পূনর্গঠনের কাজ শূন্য থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ৪ বছরের মধ্যেই
  • মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ৩১শে ডিসেম্বর

    ১২ বছরেরও অধিক সময় কারাগারে বন্ধীত্বকালে বঙ্গবন্ধু তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন এদেশের মানুষের জন্য।
  • অনলাইনে বঙ্গবন্ধুর জীবন-গাঁথা প্রকাশিত

    শুরু হয় শোষিত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পূনর্গঠনের কাজ শূন্য থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ৪ বছরের মধ্যেই
  • অনলাইনে বঙ্গবন্ধুর জীবন-গাঁথা প্রকাশিত

    ১২ বছরেরও অধিক সময় কারাগারে বন্ধীত্বকালে বঙ্গবন্ধু তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন এদেশের মানুষের জন্য।
  • অনলাইনে বঙ্গবন্ধুর জীবন-গাঁথা প্রকাশিত

    শুরু হয় শোষিত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পূনর্গঠনের কাজ শূন্য থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ৪ বছরের মধ্যেই
  • অনলাইনে বঙ্গবন্ধুর জীবন-গাঁথা প্রকাশিত

    ১২ বছরেরও অধিক সময় কারাগারে বন্ধীত্বকালে বঙ্গবন্ধু তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন এদেশের মানুষের জন্য।

অনলাইন পাঠাগার

  আমাদেরকে লিখুন
accepted You need to include jquery library for that.Like this. You need to include this 1st, then write $.ajax to execute.